আজ জানা গেল প্রকাশের চিঠির উত্তর না দিয়ে মনমোহন সত্যমের ব্যাপারে সরাসরি ফোনই করেছেন। এবং আস্বস্ত করেছেন যে অপরাধীদের শাস্তি হবেই। মনমোহন বিজ্ঞ অর্থনীতিবিদ এবং বাজার অর্থনীতির প্রবক্তা। খুব ভালো করেই জানেন এই 'মুক্ত' কথাটা অর্থহীন-মার্কেটের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রন না থাকলে অচিরেই তা মার্কেট না হয়ে ফাটকাবাজি হবে। মনমোহন গত দুবছর ধরেই আমেরিকাকে এব্যাপারে সাবধান করেছেন-বিশ্বের ফাইন্যান্সিয়াল মার্কেটে রেগুলেশনের অভাব আছে একাধিবার বলেছেন। সুতরাং খুব সম্ভবত কারাতকে ফোন করেছিলেন এটা জানাতে যে মার্কেটে নিয়ন্ত্রন এবং খবরদারি বাড়াবার ব্যাপারে তিনিও চিন্তাভাবনা করছেন। ভারতের মত ফাটকাবাজির দেশে তা কতদূর সম্ভব তা জানি না-তবে মার্কেটে আইন শৃঙ্খলা না বাড়ালে বাজারের বৃদ্ধিই সম্ভব না। আটকে যাবে দেশের প্রগতি। এটাত সিংজীর মতন পোড় খাওয়া অর্থনীতিবিদ বিলক্ষন জানেন-তাই সম্ভবত প্রকাশ কারাতকে আশ্বস্ত করেছেন-দেশের ভার যখন তার হাতে, তিনি ভালো করেই এসব ফাটকাবাজি আটকাবেন।
মুশকিল হচ্ছে প্রকাশ কারাত এর থেকে কি শিক্ষা নেবেন জানি না। নিজের ক্ষমতাবৃদ্ধির লক্ষ্যে ভারত-আমেরিকার পরমানূ চুক্তি রুখতে গিয়ে এখন তিনি কোনঠাসা। একবার মায়াবতী-অন্যবার জয়ললিতা-তার পরে চিরঞ্জীবির হাতের ঠোঙার প্রসাদ খেয়ে এত দিনেও যদি না বোঝেন তৃতীয় ফ্রন্টের ইচ্ছা আসলেই সিপিএমের তথা পশ্চিম বঙ্গের জন্যে ক্ষতিকারক-তাহলে সিপিএম তথা সমগ্র পশ্চিম বাংলার বিপদ। মায়াবতী, জয়ললিতা, চন্দ্রবাবু নাইডুরা কি অর্থে মনমোহন বা প্রণবদের থেকে ভাল নেতা হন? এই সেই মায়াবতী যার জন্মদিনের উপহার দিতে আমজনতার ওপর মারপিট করা হয়। জয়ললিতার কথা যত কম বলা যায় তত ভাল-উনাকে ত সোনার ভারে ওজন করা হয়। এরা আজ বিজেপি, কাল কংগ্রেসের সাথে! এরা নেতা?
কংগ্রেস সোনিয়া গান্ধীর নেতৃত্বে অনেক পরিণত শক্তি এখন। সব থেকে বড় কথা মনমোহন এবং চিদাম্বরন দক্ষ, উচ্চশিক্ষিত এবং সৎ। এদের সাথে বামপন্থীদের মতের পার্থক্য থাকতেই পারে-কিন্তু তার জন্যে কি তোলাবাজ এবং চুড়ান্ত প্রতিক্রিয়াশীল শক্তির সাথে হাত মেলাতে হবে? তাছাড়া কংগ্রেসের ঘোষিত নীতিও গরীব এবং ধনীর মধ্যে পার্থক্য যতটা সম্ভব কমিয়ে উন্নয়ন করা। এটা ত ১৯১৭ সাল না-যে কারাতবাবু লেনিনের মতন গরম গরম বিপ্লবী ডায়ালোগ দিলেই শ্রমিকরা বন্দুক ধরবে। সব থেকে বড় কথা ভারতের উন্নয়ন হচ্ছে-তবে একটা অংশের কাছে তা পৌছাচ্ছে না। সেটা নিয়েত কংগ্রেস বা সিপিএমে দ্বিমত নেই-প্রশ্নটা হচ্ছে কোন পথে গেলে দেশের সার্বিক উন্নতি সম্ভব। সেখানে মতবিরোধ আছে-সেটাত গণতন্ত্রে থাকবেই। এবং সেখানে বিতর্কের মাধ্যমেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। ভারত-আমেরিকার পরমানু চুক্তির মতন তর্কে হেরে গেলে, বা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে হেরে গেলে, পশ্চিম বঙ্গের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে ইউ পি এ থেকে বেড়িয়ে আসার মতন বালখিল্য কাজের কি কোন রাজনৈতিক অর্থ হয়? এগুলো ছেলেমানুষি এবং তার খেসারত দেবে পশ্চিমবঙ্গ।
আবার বলি এটা ১৯১৭ সাল নয় কমরেড। কমি্নিউস্টরা প্রতিষ্ঠিত ব্যার্থ-শক্তি। ইতিহাস থেকে জনগন তাদের চিনেছে। আপনারাও শিখেছেন। ধুরি জ্যোতিবসু-হরকিশেন শিখেছিলেন। আপনি শেখেন নি। গণতন্ত্রে থাকলে জনগনকে, গণতান্ত্রিক পক্রিয়াকে শ্রদ্ধা করতে শিখুন। নইলে মাওবাদিদের মতন বন্দুক হাতে নিন। গণতন্ত্রের চুরুটও খাবেন-আবার সেই চুরুটের নিন্দাও করবেন-এমন করে নিজেদের জীবনটাত ব্যার্থ করেইছেন-কিন্ত পশ্চিমবঙ্গের আগামী প্রজন্মকে বাঁচতে দিন।
Wednesday, January 21, 2009
Sunday, January 18, 2009
৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক এবং মমতা
সম্প্রতি প্রণব মুখার্জী একটি অনুষ্ঠানে তৃণমূলকে স্বরণ করিয়েছেন জমি অধিগ্রহণ বিরোধী বিক্ষোভ রাজ্য এবং তাদের দলের পক্ষেও বুমেরাং হতে পারে। প্রসঙ্গত তিনি স্বরণ করিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন সত্ত্বেও কেন ৩৪ জাতীয় সড়ককে ৪ লেনের করা যাচ্ছে না। মমতার জমি বিরোধি জিহাদের মুখে থমকে আছে পশ্চিম বঙ্গের উন্নয়ন।
৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে ১৯৮৯ সালে এসপ্ল্যানেড থেকে কৃষ্ণনগর যেতে সময় লাগত ৩ ঘন্টা। আগেরবার গিয়ে দেখি সময় লাগছে ৬ ঘন্টা। এটা উত্তর বঙ্গের সাথে দক্ষিন বঙ্গের লাইফ লাইন। চার লেনের রাস্তা করা অনেকদিন আগেই দরকার ছিল। আমাকে এই পথেই বাড়ি যেতে হয়। ভোগান্তি কি পরিমান হয়-বিশেষত বারাসত থেকে রাণাঘাট পর্যন্ত আমরা ভালোই জানি। প্রনব বাবুর কল্যানে সে সমস্যার সমাধান হয়ে যেত-কিন্ত এখন আর কেউ জমি অধিগ্রহনের ভয়ে-এই সম্প্রসারনের কথা বলছে না। সত্যিই ভোট আর কে হারাতে চাই!
এক অদ্ভুত কৃষ্ণগহ্বরে পশ্চিম বঙ্গের উন্নয়ন। কোলকাতার কিছু নেতা-যাদের বহিরবঙ্গে নিত্যদিন যাতায়াত করতে হয় না-তারা আর এই ব্যাথা আর সমস্যা কি বুঝবেন? ৩৪ নাম্বার সড়কের উন্নয়ন না হলে-থমকে দাঁড়াবে উত্তর বঙ্গের অর্থনীতি। পশ্চিম বঙ্গের এই রাস্তাসম্প্রসারনের জন্যে মনমোহন টাকা বরাদ্দ করা সত্ত্বেও এক সাত ভুতের গাড্ডায় পিছলে পড়া রাজ্যের রাজনীতি আমাদের ভূত ভবিষ্যত বিকলাঙ্গ করে দিচ্ছে। সিপিএম এবং তৃণমূল উদ্যোগ নিয়ে ৩৪ নাম্বার জাতীয় সড়কটিকে একটু বাঁচান। জনসাধারনের মনে একটু আশা ভরসার জন্ম দিন।
৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে ১৯৮৯ সালে এসপ্ল্যানেড থেকে কৃষ্ণনগর যেতে সময় লাগত ৩ ঘন্টা। আগেরবার গিয়ে দেখি সময় লাগছে ৬ ঘন্টা। এটা উত্তর বঙ্গের সাথে দক্ষিন বঙ্গের লাইফ লাইন। চার লেনের রাস্তা করা অনেকদিন আগেই দরকার ছিল। আমাকে এই পথেই বাড়ি যেতে হয়। ভোগান্তি কি পরিমান হয়-বিশেষত বারাসত থেকে রাণাঘাট পর্যন্ত আমরা ভালোই জানি। প্রনব বাবুর কল্যানে সে সমস্যার সমাধান হয়ে যেত-কিন্ত এখন আর কেউ জমি অধিগ্রহনের ভয়ে-এই সম্প্রসারনের কথা বলছে না। সত্যিই ভোট আর কে হারাতে চাই!
এক অদ্ভুত কৃষ্ণগহ্বরে পশ্চিম বঙ্গের উন্নয়ন। কোলকাতার কিছু নেতা-যাদের বহিরবঙ্গে নিত্যদিন যাতায়াত করতে হয় না-তারা আর এই ব্যাথা আর সমস্যা কি বুঝবেন? ৩৪ নাম্বার সড়কের উন্নয়ন না হলে-থমকে দাঁড়াবে উত্তর বঙ্গের অর্থনীতি। পশ্চিম বঙ্গের এই রাস্তাসম্প্রসারনের জন্যে মনমোহন টাকা বরাদ্দ করা সত্ত্বেও এক সাত ভুতের গাড্ডায় পিছলে পড়া রাজ্যের রাজনীতি আমাদের ভূত ভবিষ্যত বিকলাঙ্গ করে দিচ্ছে। সিপিএম এবং তৃণমূল উদ্যোগ নিয়ে ৩৪ নাম্বার জাতীয় সড়কটিকে একটু বাঁচান। জনসাধারনের মনে একটু আশা ভরসার জন্ম দিন।
Friday, January 16, 2009
রাজু ফ্যামিলির জমি কেড়ে সত্যমের কর্মচারীদের মাইনা দেওয়া উচিত!
এই দাবিটি তুলেছেন প্রকাশ কারাত। সরকারের টাকায় নয়-রাজু ফ্যামিলির টাকায় সত্যমের বেইল আউট হওয়া উচিত। সত্যমের গুনধর সি এই ও রাজু এবং তার ছেলেকে ১৭,৫০০ একর জমি দিয়েছে অন্ধ্রসরকার। সেগুলো কেড়ে নিয়ে বেচা উচিত। যাতে সত্যমের ৫৬,০০০ কর্মী মাইনে পায় এবং তাদের ছাঁটাই বন্ধ হয়।
প্রস্তাব উত্তম। আমাদের সমর্থন রইল। কিন্তু তার সাথে তিনি প্রকাশ কারাত সুলভ " ধনতন্ত্র মানেই চোরেদের ব্যাবসা" জুরে দিয়েছেন নিজের স্বভাব মতন। তার দাবী ঠিকই ছিল-কিন্তু শেষের উক্তিটি করে-নিজের এবং পশ্চিম বঙ্গের ভবিষ্যত উদ্ধার করলেন। ধনতন্ত্র উনার যে যুক্তিতে চোরেদের ব্যাবসা-সমাজতন্ত্র সেই যুক্তিতে মানুষ মারা ডাকাতদের জঙ্গল। একটা কথা আমরা ভুলে যাই-"তন্ত্রের নাম" সমাজ বা ধণ যাই হোক না কেন-আসল কাজ করতে হয় সেই মানুষকে নিয়েই। ফলে সত্যমের রাজু যেমন ডুবেছেন নিজের ক্ষমতা বাড়াবার লোভে-ঠিক তেমনই স্ট্যালিন মানুষের রক্তে হোলি খেলেছেন স্রেফ নিজের ক্ষমতা সিদ্ধ করতে। আসলে মূলে আছে সেই "ব্যাক্তি মানুষের বিবর্তনজাত ক্ষমতার লোভ"। এবং সব সিস্টেমেই এই লোভটাই আসলে বড় হয়ে দাঁড়ায়।
কিন্তু ধণতন্ত্র যদি চোরেদের রাজত্ব হয়-বুদ্ধদেব তাহলে কি পশ্চিম বঙ্গে চোরেদের ডাকছেন? এবার বুদ্ধ যদি কোন শিল্পপতির কাছে পশ্চিম বঙ্গের জন্যে ভিক্ষা করতে যান-এবং তিনি যদি বুদ্ধকে বলেন-আপনার বস ত আমাদের চোর বলেন-চোরের কাছে ভিক্ষা করাটা কি ঠিক?
অবশ্য পশ্চিম বঙ্গের স্বার্থের কথা আর কবেই বা ভাবলেন প্রকাশ কারাত! তার নির্বুদ্ধিতা এবং ক্ষমতার লোভে সবথেকে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে পশ্চিম বঙ্গ।
প্রস্তাব উত্তম। আমাদের সমর্থন রইল। কিন্তু তার সাথে তিনি প্রকাশ কারাত সুলভ " ধনতন্ত্র মানেই চোরেদের ব্যাবসা" জুরে দিয়েছেন নিজের স্বভাব মতন। তার দাবী ঠিকই ছিল-কিন্তু শেষের উক্তিটি করে-নিজের এবং পশ্চিম বঙ্গের ভবিষ্যত উদ্ধার করলেন। ধনতন্ত্র উনার যে যুক্তিতে চোরেদের ব্যাবসা-সমাজতন্ত্র সেই যুক্তিতে মানুষ মারা ডাকাতদের জঙ্গল। একটা কথা আমরা ভুলে যাই-"তন্ত্রের নাম" সমাজ বা ধণ যাই হোক না কেন-আসল কাজ করতে হয় সেই মানুষকে নিয়েই। ফলে সত্যমের রাজু যেমন ডুবেছেন নিজের ক্ষমতা বাড়াবার লোভে-ঠিক তেমনই স্ট্যালিন মানুষের রক্তে হোলি খেলেছেন স্রেফ নিজের ক্ষমতা সিদ্ধ করতে। আসলে মূলে আছে সেই "ব্যাক্তি মানুষের বিবর্তনজাত ক্ষমতার লোভ"। এবং সব সিস্টেমেই এই লোভটাই আসলে বড় হয়ে দাঁড়ায়।
কিন্তু ধণতন্ত্র যদি চোরেদের রাজত্ব হয়-বুদ্ধদেব তাহলে কি পশ্চিম বঙ্গে চোরেদের ডাকছেন? এবার বুদ্ধ যদি কোন শিল্পপতির কাছে পশ্চিম বঙ্গের জন্যে ভিক্ষা করতে যান-এবং তিনি যদি বুদ্ধকে বলেন-আপনার বস ত আমাদের চোর বলেন-চোরের কাছে ভিক্ষা করাটা কি ঠিক?
অবশ্য পশ্চিম বঙ্গের স্বার্থের কথা আর কবেই বা ভাবলেন প্রকাশ কারাত! তার নির্বুদ্ধিতা এবং ক্ষমতার লোভে সবথেকে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে পশ্চিম বঙ্গ।
Thursday, January 15, 2009
হাডসন নদীতে ল্যান্ডিং করল প্লেইন!
http://www.youtube.com/watch?v=oSPZ9q8uTuw&feature=related
লাইভ ভিডিওর জন্যে এখানে ক্লিক করুনঃ
http://www.cnn.com/2009/US/01/15/new.york.plane.crash/#cnnSTCVideo
আরো ভিডিওঃ
http://www.youtube.com/watch?v=f21TiwV6dWQ
নিউইয়ার্ক বিকেল পাঁচটাঃ (১৫ ই জানুয়ারী , ২০০৯)ঃ বিরাট দু্ঘটনার হাতথেকে বাঁচল US Airways Flight 1549। নিউইয়ার্কের লাগুয়াডিয়া এয়ারপোর্ট থেকে উড়েছিল নর্থ ক্যারোলিনা যাওয়ার পথে। কিন্ত পাখীদের সাথে সংঘর্ষে আগুন ধরে ইঞ্জিনে। পাইলট তিন মিনিটবাদে যাত্রীদের বলেন এখুনি নামতে হবে। পাশে ছিল হাডসন নদী সেখানেই নেমে গেল প্লেনটি। হতা-হতের খবর এখনো পাওয়া যায় নি। তবে নদীর জল খুব ঠান্ডা। -৫ সেন্টিগ্রেড। আমরা খবরটি আপডেট করতে থাকব।
This video frame grab image taken from WNBC-TV shows a US Airways aircraft that has gone down in the Hudson River in New York, Thursday Jan. 15, 200i8. It was not immediately clear if there were injuries(WNBC-TV/AP Photo)
All passengers and crew aboard were reported safe after New York City firefighters and ferries rushed to the aid of the US Airways jet, which floated in the river near the historic aircraft carrier The Intrepid.
US Airways flight 1549, an A-320 manufactured by Airbus, was carrying as many as 148 passengers and five or six crew members, according to the Port Authority of New York and New Jersey.
Wednesday, January 14, 2009
আসলে বাঙালী কমরেডদের দাবিয়ে রাখাই প্রকাশ কারাতের নীতি
সম্প্রতি বাংলার সিপিএম মহলে দাবি উঠেছিল সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়কে ফিরিয়ে নেওয়ার। সুভাষ বাবু সেই মর্মে রাজ্য কমিটিকে চিঠিও দিয়েছেন। কিন্তু নারাজ প্রকাশ কারাত।
মনে রাখতে হবে বিতাড়নের পর সোমনাথ বাবুকে কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার জন্যে আহবান জানিয়েছিলেন মনমোহন স্বয়ং নিজে। এমন একজন গুণী মানুষকে পেলে কংগ্রেস নিশ্চয় গর্বিত হত। সোমনাথবাবু একনিষ্ঠ পার্টিকর্মী। চল্লিশ বছর যে পার্টি করেছেন-যার জন্যে নিজের পেশাকেও বর্জন করেছেন প্রায়-সেই পার্টি তাকে ছাড়তে পারে। তিনি পার্টিকে ছাড়বেন কি ভাবে? তার জীবনটাই ত তাহলে বৃথা হয়ে যাবে!
একথা আজ জ়লের মতন পরিষ্কার--প্রকাশ কারাত সিভিলিয়ান ভারত-আমেরিকান চুক্তির বিরোধিতা করেছেব শ্রেফ নিজের ক্ষমতা বাড়াতে-পার্টির মধ্যে এবং বাইরে। তারজন্যে জলাঞ্জলি দিয়েছেন ভারতের স্বার্থ। পশ্চিম বঙ্গের স্বার্থ। চেপে ধরেছিলেন বাঙালী কমরেডদের কন্ঠ। আমাকে ইউ এস ইন্ডীয়া বিজনেস কাউন্সিলের সভাপতি বলেছিলেন-প্রকাশের একগুঁয়েমির জন্যে সবথেকে বেশী ভুগবে কেরালা আর পশ্চিমঙ্গ। কারন সমগ্র বিশ্বের বিনিয়োগকারীদের কাছে এই সংকেতই যাচ্ছে-যে এইসব বামরাজনীতিবিদরা পরিণত নন। অথচ জ্যোতিবাবু বা সুরজিত কিন্তু এমন একগুঁয়ে ছিলেন না। তারা ছিলেন অনেক বাস্তব্বাদি। অন্তত শুধু যে এন ইউ তে ছাত্ররাজনীতির ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অভিজ্ঞতা নিয়ে- কোনদিন সংসদীয় ভোটে না দাঁড়িয়ে সিগেরেট ফোঁকা বামপন্থী তারা ছিলেন না। ফলে সর্বভারতীয় রাজনীতিতে কারাত নিজে ডুবলেন ত বটেই-পশ্চিম বঙ্গকেও ডোবালেন। বঙ্গজ কমরেডরা তার বিরুদ্ধে যাতে টুঁ শব্দটীও না করতে পারে-তার জন্যে তাড়ানো হল সোমনাথ চ্যাটার্জিকে। ঠিক যেমন ভাবে ট্রটস্কিকে তাড়িয়েছিলেন স্টালিন। স্পিকারকে তাড়িয়ে দেখালেন -হ্যাঁ, শুধু দেখানোর জন্যেই-- আমার বিরুদ্ধে গেলে তোমাদের ও একই দশা হবে। স্পীকারকেই রেহাত করি না-ত তোমরা কোন ছাড়!
আসল ব্যাপারটা আরো গভীরে। আসলে সোমনাথের নেতৃত্বে প্রকাশ কারাতের অবাস্তব্বাদি লেনিনজমের বিরুদ্ধে বঙ্গজ কমরেডদের বিদ্রোহের সুযোগ ছিল। এক ঢিলে দুই পাখি মারলেন প্রকাশ কারাত। নেহাত এটা সংসদীয় গণগন্ত্রের দেশ। ১৯৩০ সালের সোভিয়েত রাশিয়া হলে অবশ্য সোমনাথ চ্যাটার্জির লাশটাই শুধু পাওয়া যেত। গ্রেট পার্জ। এরা খেলে নিজেদের ক্ষমতার জন্যে-আলখাল্লা পড়ে আদর্শবাদের।
বুদ্ধ মমতা কি গুজরাট থেকে শিক্ষা নেবেন?
সম্প্রতি রতন টাটা বলেছেন গুজরাটে যে বিনিয়োগ করে না সে বোকা।
সিঙ্গুরে মমতার অতিবাম হাতের চড় থাপ্পর খেয়ে, উনি বিলক্ষন বুঝেছেন বাম-বাঙালীর শ্বশান বঙ্গ শিল্পের মরূভূমি। ধ্বংশের রাজনীতি বাঙালী জাতির ক্রমবর্ধমান দৈন্যদশার নিত্যসাথী। গুজরাটে ৮০ বিলিয়ান ডলারের বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতির ওপর বসে মোদি ন্যানোর সাথে পোজ দিলেন-সেইদিন ই উলটোডাঙায় শিল্পরথের ভাঙাচাকার জন্যে "অন্যদের" দুষছেন আমাদের মুখ্যমন্ত্রী। শুধু একজন মুখ্যমন্ত্রী বা বিরোধি নেত্রীই বা কি করবেন-যখন দেখি মোদির সাফল্যে বাম-বাঙালীর প্রতিক্রিয়া হচ্ছে-তাতে কি? গুজরাটে ধণ বৈষম্য ত অনেক বেশী। গরীব বড়লোকের মধ্য পার্থক্য বাড়ছে। ভাগ্যিস এরা বলে নি-তাতে কি-আমেরিকাতে ধণ বৈষম্য পশ্চিম বঙ্গের চেয়েও অনেক বেশী! তাই পশ্চিম বঙ্গ ভাল-আমেরিকা খারাপ। অথবা উত্তর কোরিয়াতে কোন বৈষম্যই নেই-সবাই আধবেলা খেয়ে থাকে-তাই তা ভারতের থেকেও ভাল-কারন সেখানে সাম্য প্রতিষ্ঠিত।
সন্দেহ নেই গরীব এবং ধণীর পার্থক্যে সমাজে রাজনৈতিক অস্থিরতা আসে এবং তা ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্যে কাম্যও নয়। শুধু ধণের জোরে, এক পরজীবি নিয়ন্ত্রক শ্রেনীর উদ্ভব হৌক সেটা অবশ্যই আমরা চাই না। কিন্ত এই 'সাম্য' টা কি সমাজ ব্যাবস্থার মৌলিক চাহিদা? সাম্যের ধারণা ত আজকের নয়। বিদুর যুধিষ্ঠিরকে বলেছিলেন -সেই নরপতিই শ্রেষ্ঠ যিনি সমাজ থেকে ধণ বৈষম্য কমাতে পারেন। কৃষ্ণভাস্যেও আমরা দেখি-যারা প্রয়োজনের অধিক ধণ সংগ্রহ করে, তাদের চোর বলা হয়েছে। কোরানে ধন সম্মত্তি দান করে সাদামাটা জীবনের উপদেশ সর্বত্র। কোরান বলছে বিত্তশীল ভোগবিলাসে ডোবে অজ্ঞ এবং বোকারা। এই সাম্যের ধারনা থেকেই প্রাচীন গ্রীসে স্টয়িক দর্শনের উৎপত্তি। ইউলিটারিয়ানরাও সামাজিক সাম্যে বিশ্বাস করেন। শুধু মার্ক্সিস্ট-লেনিনিস্টরা ত নয়-বিশ্বশুদ্ধ প্রায় সব দর্শনেই সাম্যের ধারনার জয়জয়াকার। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে-এই সামাজিক সাম্য, সামাজিক উন্নতির চেয়েও বেশী জরুরী? সামাজিক সাম্যকি এতই মৌলিক?
এখানেই আমি দ্বিমত পোষন করি। আমাদের জীবনের লক্ষ্য কি? আমি না আমাদের ভবিশ্যত প্রজন্ম? আমি কখনোই হতে পারি না-কারন 'আমি' মরণশীল। একমাত্র 'ভবিষ্যত প্রজন্মই" চিরন্তন। তাই আমাদের লক্ষ্য অবশ্যই ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্যে শিক্ষা, খাদ্য, সাস্থ্য, পরিবেশ, চাকরীর সুরক্ষা। সেটাই মৌলিক। প্রশ্ন হচ্ছে এই লক্ষ্য সাধনের পথে সাম্যের ভূমিকা। প্রতিটা ভবিষ্যত নাগরিকের অবশ্যই এই সুরক্ষাগুলি 'নুন্যতম' পাওয়া উচিত। যাতে তার জেনেটিক সারভাইভাল নিশ্চিত হয়। কে বেশী পাচ্ছে-কে কম পাচ্ছে-দেখার চেয়ে কত কম লোক দারিদ্র সীমার নীচে থাকে সেটাই প্রথম লক্ষ্য হওয়া উচিত। কিভাবে এবং কিপ্রকারে দ্রুত দারিদ্রসীমার নীচে বসবাস করা লোকেদের মধ্যবিত্ত শ্রেনীতে তোলা যায় সেটাই আমাদের লক্ষ্য। সাম্যের নামে কমিনিউস্ট রাষ্ট্রের মতন সবাইকে আধপেটা খায়িয়ে, না খেতে দিতে পারলে জেলে পাঠিয়ে মেরে ফেলা নিশ্চয় আমরা চাই না। উন্নয়নের প্রাধমিক পর্বে অসাম্য আসবেই। কারন উন্নয়নের প্রথম শর্তই ধন বিনিয়োগ-আর ধনের ধর্মই অসাম্য। সুতরাং ধণ আসম্যকে এড়িয়ে উন্নয়ন সম্ভব না। চীনের উন্নয়ন ও সেই অসাম্যের পথেই এসেছে। তবে হ্যাঁ-কমিনিউস্টরা এই প্রসঙ্গে প্রায় "সাম্যবাদি স্ট্যালিনিস্ট" মডেলের কথা বলেন। শুধু ভুলে যাওয়া হয়-সেখানে মানুষকে পশুতের ক্রীতদাস করে, ২ কোটি লোককে মেরে-চূড়ান্ত মানব ধ্বংশলীলা সাঙ্গ করে-সেই উন্নয়ন হয়েছিল রাশিয়াতে। পিরামিড নিয়েও আমরা গর্ব করি-শুধু ভুলে যাওয়া হয়, ঐ ইমারত বানাতে হাজারে হাজারে ক্রীতদাস প্রান দিয়েছে। রাশিয়াতে রাষ্ট্র মানুষকে ক্রীতদাস বানিয়ে সাফল্যের পিরামিড তুলেছে-সাম্যবাদের সেই পিরামিড টেকে নি-সবাইকে ক্রীতদাস বানিয়ে বলতে পারি না, তোমরা সবাই সমান কারন তোমাদের সবার স্টাটাস আজ স্লেভ!
তাই বাম বাঙালীদের আজ আত্মসমীক্ষার ভীষন প্রয়োজন। তাদের নিজেদের জিজ্ঞেস করতে হবে-শ্বশানের সাম্য কাম্য না ধণের অসাম্যকে মেনে নিয়ে আমরা সুজলা সুফলা বঙ্গকে তৈরী করব। ধণের অসাম্য সাধারনত উন্নয়নশীল অবস্থাতেই বেশী থাকে-যা আজ গুজরাটে হচ্ছে। উন্নয়ন হয়ে গেলে, রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট আস্তে আস্তে কমতে থাকলে-ধণের প্রাদুর্ভাবও আস্তে আস্তে কমতে থাকে। বস্তুত আমেরিকাতে সমাজতান্ত্রিক ধারনাগুলির ভিত্তি ভারতের থেকে অনেক বেশী দৃড়। এখানে শ্রমিকের অধিকার বা জনসাধারনের প্রতি রাষ্ট্রের প্রোটেকশন অনেক বেশী-জনগণ আরো বেশী তা চাইছে-তাই তারা ওবামাকে ভোট দিয়েছে। কিন্তু বন্ধুগণ উণ্ণয়ন না হলে ত এসব কিছুই সম্ভব না! রাষ্ট্র টাকা পাবে কোথা থেকে? তাছাড়া নাই নাই করেও গুজরাটে ভূমিহীন শ্রমজীবিরা বছরে ২০০ দিন কাজ পায়-শ্বশান বঙ্গে পাচ্ছে ২০ দিন। তাও মুজুরী কম! এরে কই শ্বশানবঙ্গের সাম্য!
বামবাঙালী যতদিন না তাদের আত্মবিশ্লেষনে সমর্থ হবে-আমাদের অধোগতি ঠেকায় কার বাপের সাধ্য?
সিঙ্গুরে মমতার অতিবাম হাতের চড় থাপ্পর খেয়ে, উনি বিলক্ষন বুঝেছেন বাম-বাঙালীর শ্বশান বঙ্গ শিল্পের মরূভূমি। ধ্বংশের রাজনীতি বাঙালী জাতির ক্রমবর্ধমান দৈন্যদশার নিত্যসাথী। গুজরাটে ৮০ বিলিয়ান ডলারের বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতির ওপর বসে মোদি ন্যানোর সাথে পোজ দিলেন-সেইদিন ই উলটোডাঙায় শিল্পরথের ভাঙাচাকার জন্যে "অন্যদের" দুষছেন আমাদের মুখ্যমন্ত্রী। শুধু একজন মুখ্যমন্ত্রী বা বিরোধি নেত্রীই বা কি করবেন-যখন দেখি মোদির সাফল্যে বাম-বাঙালীর প্রতিক্রিয়া হচ্ছে-তাতে কি? গুজরাটে ধণ বৈষম্য ত অনেক বেশী। গরীব বড়লোকের মধ্য পার্থক্য বাড়ছে। ভাগ্যিস এরা বলে নি-তাতে কি-আমেরিকাতে ধণ বৈষম্য পশ্চিম বঙ্গের চেয়েও অনেক বেশী! তাই পশ্চিম বঙ্গ ভাল-আমেরিকা খারাপ। অথবা উত্তর কোরিয়াতে কোন বৈষম্যই নেই-সবাই আধবেলা খেয়ে থাকে-তাই তা ভারতের থেকেও ভাল-কারন সেখানে সাম্য প্রতিষ্ঠিত।
সন্দেহ নেই গরীব এবং ধণীর পার্থক্যে সমাজে রাজনৈতিক অস্থিরতা আসে এবং তা ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্যে কাম্যও নয়। শুধু ধণের জোরে, এক পরজীবি নিয়ন্ত্রক শ্রেনীর উদ্ভব হৌক সেটা অবশ্যই আমরা চাই না। কিন্ত এই 'সাম্য' টা কি সমাজ ব্যাবস্থার মৌলিক চাহিদা? সাম্যের ধারণা ত আজকের নয়। বিদুর যুধিষ্ঠিরকে বলেছিলেন -সেই নরপতিই শ্রেষ্ঠ যিনি সমাজ থেকে ধণ বৈষম্য কমাতে পারেন। কৃষ্ণভাস্যেও আমরা দেখি-যারা প্রয়োজনের অধিক ধণ সংগ্রহ করে, তাদের চোর বলা হয়েছে। কোরানে ধন সম্মত্তি দান করে সাদামাটা জীবনের উপদেশ সর্বত্র। কোরান বলছে বিত্তশীল ভোগবিলাসে ডোবে অজ্ঞ এবং বোকারা। এই সাম্যের ধারনা থেকেই প্রাচীন গ্রীসে স্টয়িক দর্শনের উৎপত্তি। ইউলিটারিয়ানরাও সামাজিক সাম্যে বিশ্বাস করেন। শুধু মার্ক্সিস্ট-লেনিনিস্টরা ত নয়-বিশ্বশুদ্ধ প্রায় সব দর্শনেই সাম্যের ধারনার জয়জয়াকার। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে-এই সামাজিক সাম্য, সামাজিক উন্নতির চেয়েও বেশী জরুরী? সামাজিক সাম্যকি এতই মৌলিক?
এখানেই আমি দ্বিমত পোষন করি। আমাদের জীবনের লক্ষ্য কি? আমি না আমাদের ভবিশ্যত প্রজন্ম? আমি কখনোই হতে পারি না-কারন 'আমি' মরণশীল। একমাত্র 'ভবিষ্যত প্রজন্মই" চিরন্তন। তাই আমাদের লক্ষ্য অবশ্যই ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্যে শিক্ষা, খাদ্য, সাস্থ্য, পরিবেশ, চাকরীর সুরক্ষা। সেটাই মৌলিক। প্রশ্ন হচ্ছে এই লক্ষ্য সাধনের পথে সাম্যের ভূমিকা। প্রতিটা ভবিষ্যত নাগরিকের অবশ্যই এই সুরক্ষাগুলি 'নুন্যতম' পাওয়া উচিত। যাতে তার জেনেটিক সারভাইভাল নিশ্চিত হয়। কে বেশী পাচ্ছে-কে কম পাচ্ছে-দেখার চেয়ে কত কম লোক দারিদ্র সীমার নীচে থাকে সেটাই প্রথম লক্ষ্য হওয়া উচিত। কিভাবে এবং কিপ্রকারে দ্রুত দারিদ্রসীমার নীচে বসবাস করা লোকেদের মধ্যবিত্ত শ্রেনীতে তোলা যায় সেটাই আমাদের লক্ষ্য। সাম্যের নামে কমিনিউস্ট রাষ্ট্রের মতন সবাইকে আধপেটা খায়িয়ে, না খেতে দিতে পারলে জেলে পাঠিয়ে মেরে ফেলা নিশ্চয় আমরা চাই না। উন্নয়নের প্রাধমিক পর্বে অসাম্য আসবেই। কারন উন্নয়নের প্রথম শর্তই ধন বিনিয়োগ-আর ধনের ধর্মই অসাম্য। সুতরাং ধণ আসম্যকে এড়িয়ে উন্নয়ন সম্ভব না। চীনের উন্নয়ন ও সেই অসাম্যের পথেই এসেছে। তবে হ্যাঁ-কমিনিউস্টরা এই প্রসঙ্গে প্রায় "সাম্যবাদি স্ট্যালিনিস্ট" মডেলের কথা বলেন। শুধু ভুলে যাওয়া হয়-সেখানে মানুষকে পশুতের ক্রীতদাস করে, ২ কোটি লোককে মেরে-চূড়ান্ত মানব ধ্বংশলীলা সাঙ্গ করে-সেই উন্নয়ন হয়েছিল রাশিয়াতে। পিরামিড নিয়েও আমরা গর্ব করি-শুধু ভুলে যাওয়া হয়, ঐ ইমারত বানাতে হাজারে হাজারে ক্রীতদাস প্রান দিয়েছে। রাশিয়াতে রাষ্ট্র মানুষকে ক্রীতদাস বানিয়ে সাফল্যের পিরামিড তুলেছে-সাম্যবাদের সেই পিরামিড টেকে নি-সবাইকে ক্রীতদাস বানিয়ে বলতে পারি না, তোমরা সবাই সমান কারন তোমাদের সবার স্টাটাস আজ স্লেভ!
তাই বাম বাঙালীদের আজ আত্মসমীক্ষার ভীষন প্রয়োজন। তাদের নিজেদের জিজ্ঞেস করতে হবে-শ্বশানের সাম্য কাম্য না ধণের অসাম্যকে মেনে নিয়ে আমরা সুজলা সুফলা বঙ্গকে তৈরী করব। ধণের অসাম্য সাধারনত উন্নয়নশীল অবস্থাতেই বেশী থাকে-যা আজ গুজরাটে হচ্ছে। উন্নয়ন হয়ে গেলে, রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট আস্তে আস্তে কমতে থাকলে-ধণের প্রাদুর্ভাবও আস্তে আস্তে কমতে থাকে। বস্তুত আমেরিকাতে সমাজতান্ত্রিক ধারনাগুলির ভিত্তি ভারতের থেকে অনেক বেশী দৃড়। এখানে শ্রমিকের অধিকার বা জনসাধারনের প্রতি রাষ্ট্রের প্রোটেকশন অনেক বেশী-জনগণ আরো বেশী তা চাইছে-তাই তারা ওবামাকে ভোট দিয়েছে। কিন্তু বন্ধুগণ উণ্ণয়ন না হলে ত এসব কিছুই সম্ভব না! রাষ্ট্র টাকা পাবে কোথা থেকে? তাছাড়া নাই নাই করেও গুজরাটে ভূমিহীন শ্রমজীবিরা বছরে ২০০ দিন কাজ পায়-শ্বশান বঙ্গে পাচ্ছে ২০ দিন। তাও মুজুরী কম! এরে কই শ্বশানবঙ্গের সাম্য!
বামবাঙালী যতদিন না তাদের আত্মবিশ্লেষনে সমর্থ হবে-আমাদের অধোগতি ঠেকায় কার বাপের সাধ্য?
Sunday, January 11, 2009
মুম্বাইএর ওপর তোলা "স্ল্যাম ডগ মিলিয়ানার" গোল্ডেন গ্লোব জিতল
রেড কার্পেট ফ্যাশন
কেট উইনস্লেটকে এবার বেস্ট সার্পোটিং এক্ট্রেস নিয়েই খুশী থাকতে হল। গ্রাবিয়েল ব্যায়ান, এইচ বি ও সিরইয়াল "ইন ট্রিটমেন্টের" জন্যে সেরা অভিনেতার পুরষ্কার পেলেন। এন্যা প্যাকুইন পেলেন সেরা অভিনেত্রী-"ট্রু ব্লাড সিনেমাতে" তার অনবদ্য পার্ফমান্সের জনে।
আমাদের মুম্বাই এর ওপর তৈরী স্ল্যাম ডগ মিলিয়ানার এর স্ক্রিপ্ট লেখক সিমন বুফয়ে জিতলেন সেরা লেখকের পুরষ্কার।
জিতলেন এ আর রহমান ও-স্ল্যাম ডগের নেপথ্য সঙ্গীতের সৃষ্টিকর্তা হিসাবে।
আর রেড কার্পেট ফ্যাশন? সালমা হায়েক সবাইকে তাক লাগাতেন তার চল্লিশোর্ধ শরীর নিয়েই।
তবে অর্থনৈতিক মন্দা-হলিউডকেও গ্রাস করছে-সেই ছায়া এবার ছিল স্পষ্ট।
মেলিন্ডা সুঃবেস্ট সাপোর্টিং এক্টর কেট উইন্সলেটঃ বেস্ট সাপোর্টীং এক্ট্রেস
Please visit vinnobasar sponsorer:
Taking care of your parents in Kolkata
www.nriparentalcare.com



Subscribe to:
Posts (Atom)